সমাজ কাকে বলে ? সমাজের বৈশিষ্ট্য কয়টি ও কি কি ? [বিস্তারিত এখানে]

সমাজ কাকে বলে : আমাদের এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনাদের জানাতে যাচ্ছি সমাজ কাকে বলে ? এবং সমাজের বৈশিষ্ট্য কয়টি ও কি কি ?

বর্তমান সময়ে আমাদের মধ্যে অনেক লোক আছে যারা সমাজ বলতে সঠিক ভাবে জানে না। তাই তাদের জন্য আজ আমরা এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে সমাজ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করব।

আপনি যদি সমাজ কাকে বলে জানতে চান তবে আমাদের দেওয়া আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনযোগ সহকারে পড়ুন।

সমাজ কাকে বলে ?

সমাজ বলতে বোঝায় একদল মানুষ যখন কোন অস্তিত্ব রক্ষার লক্ষ্যে বেচে থাকার জন্য সাধারণ কোন উদ্দেশ্য গুলো চরিতার্থ করতে একে অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে বেচে থাকে তখন তাকে সমাজ বলে।

উক্ত বিষয়ের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে জীবন গড়ে ওঠার মতো জনগোষ্টিকে সমাজ বলে। সমাজের সংজ্ঞা অনুসারে সমাজ হচ্ছে- একই ভৌগলিক অস্থান যেখানে কথপোকথন এর জন্য মানুষের জনসমিষ্টি।

সমাজ বিজ্ঞানীদের মতে সমাজের কোন ধরা বাধা কোন সংজ্ঞা নেই। সমাজ বিজ্ঞানীদের মধ্যে মাকাইভার এর মতে সমাজ হলো এক বিমূর্ত সত্তা। আমরা বসবাস করার সময় জনগোষ্টি চোখে দেখতে পারলেও সমাজ বা সমাজ গঠনকে চোখে দেখতে পারি না। আমরা শুধু মাত্র সমাজের বাহিরের দিক গুলোই লক্ষ্য করতে পারি।

সমাজ কাকে বলে ? সমাজের বৈশিষ্ট্য কয়টি ও কি কি ? [বিস্তারিত এখানে]
সমাজ কাকে বলে ? সমাজের বৈশিষ্ট্য কয়টি ও কি কি ? [বিস্তারিত এখানে]

সমাজের বৈশিষ্ট্য কি কি ?

আপনি উক্ত আলোচনা থেকে জানতে পারলেন সমাজ কাকে বলে এখন আমরা আপনাকে জানাবো সমাজের বৈশিষ্ট্য কি কি ? আপনি যদি এ বিষয়ে সঠিক তথ্য জানতে চান তবে নিচে দেয়া তথ্য গুলো অনুসরণ করুন।

সমাজ প্রকৃত পক্ষে মানুষ জনগোষ্ঠি নিয়ে গঠিত হয়। প্রতিটি মানুষ একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে বসবাস করতে নির্ভরশীল।

সমাজ এর প্রতিটি স্তর একে অপরের সাথে সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল। সমাজের শ্রম ও বিভাজন, দায়িত্ব বিভাজনের মাধ্যমে লক্ষ্য সম্পাদিত করা হয়।

সমাজ একতা ও সহযোগিতার অনুভূতিতে রয়েছে, এটি একটি স্থায়ী সমিতি। সমাজ একটি নিয়ন্ত্রিত ও নিয়ম মাফিক চলার সংগঠন। সামাজিক ঐক্য সাধন এর মাধ্যমে গোষ্ঠীর ইচ্ছা ও স্বার্থ পূরণ এর লক্ষ্যে বাস্তবায়িত হয়।

সমাজের সকল সদস্যরা পারস্পরিক সহযোগিতার ভাব পোষণ করে। এছাড়া সাধারণ স্বার্থভাগ করে নেয়ার প্রবণতা সংরক্ষণ করে। সমাজের মানুষ পারস্পারিক সচেতনতা ক্রমাগত পারস্পারিক সচেতনতা সকল সদস্যদের সাথৈ আন্তঃ সম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমে সমাজ পরিচালনা করা হয়।

সমাজের মানুষ সকলের সহযোগিতা ও দ্বন্দ উভয়ই সমাজকে প্রভাবিত করে। মানুষ এর মধ্যে সহযোগিতা ও দ্বন্দ আছে জন্য সমাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে গতি আছে। সমাজে যদি উপস্থিতি দ্বন্দ না থাকে তাহলে মার্কসের আধুনিক দ্বন্দের তত্ত্ব অনুযায়ী সমাজ অচল হয়ে যেত।

সমাজের উপাদান গুলো কি কি?

আপনি উক্ত আলোচনা থেকে জানতে পারছেন সমাজ কাকে বলে এবং সমাজের বৈশিষ্ট্য গুলো। এখন আমরা জানাবো সমাজের উপাদন গুলো কি কি?

আরো পড়ুনঃ

আমরা আপনাকে সমাজের উপাদান গুলো একথায় প্রকার করবো। সমাজের মূল উপাদন হচ্ছে- মানুষ। কারণ মানুষ জাতি কেন্দ্র করে গড়ে উঠে সমাজ।

সমাজের আরো অনেক উপাদান রয়েছে সেগুলো হলো-

  • সাদৃশ্যতা বা অনুরূপতা
  • বৈসাদৃশ্যতা বা পার্থক্য
  • পারস্পরিক সচেতনতা
  • বৈসাদৃশ্যতা, যা সাদৃশ্যতার অধীন
  • পরস্পর নির্ভরতা
  • সহযোগিতা
  • দ্বন্দ্ব ইত্যাদি।

সমাজ কেন প্রয়োজন ?

সমাজ হলো মানুষের জীবন যাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। তার জন্য মানুষের জন্ম থেকে বড় হয়ে ওঠা থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সকল সময় সমাজকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে।

সমাজের জনগোষ্ঠির সুবিধা বিতরণ ও নিয়ন্ত্রণ সাহায্য করে থাকে। সব সময় সমাজ মানুষকে একত্রিক করে থাকে। সমাজ কেন প্রয়োজন জানতে নিচের অংশ গুলো দেখুন।

সামাজিক সমর্থন

আমরা আগেই বলেছি সমাজের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষ। মানুষ একে অপরের বিভিন্ন ভাবে পরস্পরকে সমর্থন করে। যখন সমাজের মানুষ গুলো কোন সমস্যায় পরে তথন মানুষ সমাজের গুরুত্ব উপলব্ধি করে।

সামাজিক গোষ্ঠী গঠন

আমরা জানি সমাজ একটি নেটওয়ার্কের মতোকাজ করে। এর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে একে অপরের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে।

এভাবে সম্পর্ক গুলো প্রত্যেক ব্যক্তির মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ সৃষ্টি করতে সাহায্য করে। সমাজে বিভিন্ন জনগোষ্ঠির মানুষ নিজের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়।

মানুষ এক সাথে যুক্ত হওয়ার পরে সেই সমাজ বিশ্বে একটি শক্তি শালী সামাজিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়। সমাজ ও পরিবার ব্যবস্থা সংগঠিত সম্পর্ক স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। যে কোন সমাজ গঠনের প্রাণ বিন্দু হিসেবে কাজ করে থাকে।

সংস্কৃতির সংগঠন

সংস্কৃতি সংগঠন সমাজের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি সমাজের মানুষ তাদের নিজের সংস্কৃতি মেনে চলে। তাদের জীবন যাপনের বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

সংস্কৃতির প্রভাব মানুণের জীবন ধারা ব্যাপক ভাবে প্রভাবিত করে। সমাজের কার্যকলাপ এর উপর সংস্কৃতির প্রভাব বিশেষ ভাবে পড়ে। শিল্প ভাষা সাহিত্য ও ধর্ম মানুষ এর সংস্কৃতিকে প্রভাবিত করে। সংস্কৃতিক সংগঠনে অন্তর্ভূক্ত মানুষ এই ধরণের ঐতিহ্য সংস্কৃতি মূল্য ও বিশ্বাসকে মেনে চলতে থাকে।

ব্যবস্থাপনা

সমাজ এর আরো একটি ভালো উপাদান হলো ব্যবস্থাপনা। সমাজ গঠনের লক্ষ্যে জনস্বাস্থ্য, শিক্ষা, যান বাহন ইত্যাদি ব্যবস্থা করা সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য।

কারণ মানুষের এই বিষয় গুলোর প্রতি অনেক চাহিদা থাকে। এ সকল ব্যবস্থা সঠিক ভাবে পালন করার জন্য সমাজের মানুষ সরকার সংগঠনের উপর নির্ভর করে। সরকারি ভাবে জনগনের সকল প্রাকৃতিক ও মান সম্পদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সাহায্য করে।

সাধারণ লক্ষ্য

সমাজ প্রতিটি মানুষের উপরে কল্যাণের কথা মাথায় রাখা অতন্ত্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সমাজের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সম্মিলিত ভাবে নিজের জনগোষ্ঠি উন্নতি সাধরনের রাস্তা এক সাথৈ এগিয়ে চলতে পারে।

সমাজের অংশ হিসাবে প্রতিটি মানুষের কর্তব্য সকল মানুষকে সাথে নিয়ে সাধারণ উদ্দেশ্য গুলো সাধন করা ও সমবেত সিদ্ধান্ত গৃহীত করা।

আরো পড়ুনঃ

শেষ কথাঃ

তো বন্ধুরা আজ আমাদের আর্টিকেলের মাধ্যমে জানিয়েছি সমাজ কাকে বলে। সমাজের বৈশিষ্ট্য কয়টি ও কি কি? আপনি যদি আমাদের দেওয়া আর্টিকেলটি মনযোগ সহকারে পড়ে থাকেন তবে আশা করা যায় আপনিও এ বিষয়ে সহজেই বুঝতে পারছেন।

আমাদের এই ওয়েবসাইটে অনলাইন আয় করার নতুন নতুন সকল প্রকার আপডেট তথ্য প্রকাশ করা হয়। আপনি যদি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে আমাদের এই ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন।

ট্যাগঃ

সমাজ কাকে বলে ? সমাজের বৈশিষ্ট্য কয়টি ও কি কি ? [বিস্তারিত এখানে] সমাজ কাকে বলে ? সমাজের বৈশিষ্ট্য কয়টি ও কি কি ? [বিস্তারিত এখানে] সমাজ কাকে বলে ? সমাজের বৈশিষ্ট্য কয়টি ও কি কি ? [বিস্তারিত এখানে]

সমাজ কাকে বলে ? সমাজের বৈশিষ্ট্য কয়টি ও কি কি ? [বিস্তারিত এখানে] সমাজ কাকে বলে ? সমাজের বৈশিষ্ট্য কয়টি ও কি কি ? [বিস্তারিত এখানে] সমাজ কাকে বলে ? সমাজের বৈশিষ্ট্য কয়টি ও কি কি ? [বিস্তারিত এখানে]

সমাজ কাকে বলে ? সমাজের বৈশিষ্ট্য কয়টি ও কি কি ? [বিস্তারিত এখানে]  সমাজ কাকে বলে ? সমাজের বৈশিষ্ট্য কয়টি ও কি কি ? [বিস্তারিত এখানে]  সমাজ কাকে বলে ? সমাজের বৈশিষ্ট্য কয়টি ও কি কি ? [বিস্তারিত এখানে]

আমাদের দেওয়া আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

Leave a Comment